যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃত্ববাদ বিরোধী লড়াইয়ে অঙ্গীকার চাইবে
পর্ব- ২
জোসেফ আর বাইডেন জুনিয়র
বই থেকে নেয়া
সম্পাদনা জিয়াউদ্দীন চৌ: (জেড সেলিম)
উল্লিখিত আবশ্যকীয় পদক্ষেপগুলো নেয়ার লক্ষ্য হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
গণতান্ত্রিক ভিত্তিসমূহকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তা অন্যদের মধ্যে সঞ্চারিত করা। আর
সে কারণে বৈশ্বিক এজেন্ডায় গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ প্রক্রিয়াকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে আমি
সমগ্র বিশ্বের আমার সহযোগী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রনেতাদের প্রতি আমন্ত্রণ জানাবো।
আজ এমন একটা সময় আমরা পার করছি, যখন ১৯৩০ সালের পরে সব থেকে বেশি চাপে রয়েছে গণতন্ত্র।
ফ্রিডম হাউসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৮৫ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে ৪১টি দেশ অব্যাহতভাবে গণতন্ত্র ‘মুক্ত’ রয়েছে এবং গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে আরো ২২টি দেশ প্রকৃত স্বাধীনতা
থেকে বঞ্চিত।
হংকং থেকে সুদান, চিলি থেকে লেবানন নাগরিকরা বারংবার আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে,
সততার সঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন করা একটি সর্বজনীন
নীতি হোক। যুক্তরাষ্ট্র যাতে বিশ্বাসী। এবং এসব সবারই অভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়।
একটি আতঙ্ক সৃষ্টিকারী মহামারির নাম দুর্নীতি। এই দুর্নীতি মানবিক মর্যাদাকে লুণ্ঠিত
করছে। একে বিশ্বব্যাপী কর্তৃত্ববাদী নেতৃবৃন্দ গণতান্ত্রিক সমাজকে বিভক্তি এবং দুর্বল
করার শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে।
বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো, যখন মূল্যবোধ, যা কিনা একটি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেটিকে বিবেচনায় রেখে মুক্তবিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের
দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন দেখা যায়, ট্রাম্প নামের একজন ভদ্রলোক যেন অন্য শিবিরে বসে আছেন।
তিনি বিশ্বকে কর্তৃত্ববাদিতার দিকে ঠেলছেন। আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত
প্রশাসনের পৌরোহিত্য করেছেন ট্রাম্প এবং সেই পুরোহিতের আসনে বসে তিনি বিশ্বের ক্লিপটোক্র্যাট অর্থাৎ যারা রাষ্ট্রীয় অর্থ
লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে, এমন ব্যক্তিবর্গকে লাইসেন্স দিয়েছেন।
গণতন্ত্র সামিট: প্রেসিডেন্ট
পদে আমার মেয়াদের প্রথম বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের জন্য একটি বৈশ্বিক সামিটের
আয়োজন করবে। এর লক্ষ্য হবে গণতন্ত্রের প্রতি মার্কিন অঙ্গীকারের নবায়ন এবং তার প্রতি
তার আস্থা পুনর্ব্যক্ত করা। এবং মুক্তবিশ্বকে বলে দেয়া যে, গণতন্ত্রের প্রতি তাদের
উদ্বেগ মার্কিনিরা গ্রহণ করে। এই প্রস্তাবিত শীর্ষ সম্মেলন বিশ্বের গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে
শক্তি যোগাবে। আর তখন তা আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও শক্তি যোগাবে। সততার সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে সেইসব দেশকে যারা গণতন্ত্র থেকে পিছলে পড়ে
যাচ্ছে। এবং একটি অভিন্ন এজেন্ডা স্থির করা হবে। ওবামা-বাইডেন প্রশাসন সাফল্যের সঙ্গে
একটি পারমাণবিক নিরাপত্তা সামিট আয়োজন করেছিল। সেই একই ধারাবাহিকতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
নতুন করে বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে তিনটি ক্ষেত্রে অঙ্গীকার আদায়ে সচেষ্ট হবে। প্রথমত
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা, দ্বিতীয়ত কর্তৃত্বপরায়ণ সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করা, তৃতীয়ত তাদের নিজ রাষ্ট্রে এবং
বিদেশে মানবাধিকারের অগ্রগতি ঘটানো। প্রস্তাবিত গণতান্ত্রিক সামিটে আমি প্রেসিডেন্টের
পদ থেকে একটি নীতিনির্ধারণী নির্দেশনা জারি করতে চাই। যার লক্ষ্য হবে, এটা নিশ্চিত
করা যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করাই হবে প্রতিটি দেশের মূল জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ।
একইসঙ্গে এটাই হবে মূল গণতান্ত্রিক দায়িত্বশীলতা। আমি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায়
স্বচ্ছতা আনার স্বার্থে সব রকমের পদক্ষেপ নেব।
অবৈধ কর স্বর্গরাজ্যের বিরুদ্ধে লড়বো। চুরি হওয়া জনগণের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করবো। এবং
বিশেষ করে সেইসব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের জীবন
আমি অধিকতর কঠিন করে তুলবো, যারা বেনামে কিছু কোম্পানি খুলেছেন এবং তার আড়ালে তারা
তাদের জনগণের অর্থ চুরি করছেন।
প্রস্তাবিত ডেমোক্রেসি সামিটে সারা বিশ্ব থেকে সিভিল সোসাইটিকে
আমন্ত্রণ জানানো হবে, যারা গণতন্ত্রের সুরক্ষায় ভূমিকা পালন করে চলছে। এবং সামিট সদস্যরা
বেসরকারি খাতের প্রতি একটি উদাত্ত আহ্বান জানাবে। এই সিভিল সোসাইটি হবে তারাই, যারা
গণতন্ত্রের সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা হিসেবে
অবতীর্ণ হয়েছে। আহ্বান জানানো হবে প্রযুক্তি কোম্পানি এবং সামাজিক মিডিয়া জায়ান্টদের
কাছেও। যারা অবশ্যই তাদের দায়দায়িত্ব চিহ্নিত করবে এবং গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা তৈরি
এবং বাকস্বাধীনতার সুরক্ষায় যে মানবজাতির ব্যাপকভিত্তিক স্বার্থ নিহিত রয়েছে, সেই সত্যের
প্রতি তারা স্বীকৃতি দেবে। একই সময়ে এটা স্পষ্ট হতে হবে যে, বাকস্বাধীনতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার নামে প্রযুক্তি
এবং সামাজিক মিডিয়া কোম্পানিগুলো যাতে বাকস্বাধীনতাকে লাইসেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে
না পারে। কারণ এভাবে তারা ভয়ানক মিথ্যাচারকেও ছড়িয়ে দিতে পারে। এসব কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে
হবে যে, তাদের ব্যবহৃত টুলস এবং প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে তারা সার্ভিলেন্স স্টেট বা আড়িপাতা
রাষ্ট্রের ক্ষমতায়ন ঘটাচ্ছে না। তারা মানুষের একান্ত গোপনীয়তাকে লঙ্ঘনে সহায়তা দিচ্ছে না। তারা চীন কিংবা
অন্যত্র চলমান উৎপীড়নকে সহায়তা দিচ্ছে না। ঘৃণা এবং ভুয়া তথ্য বিস্তারে সহায়তা দিচ্ছে
না। মানুষকে সহিংসতায় উস্কে দিচ্ছে না। কিংবা তারা অন্যান্য ধরনের সম্ভাব্য অপব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের ব্যবহৃত বা প্রবর্তিত টুলসগুলো
মানুষের কাছে সন্দেহজনক রয়ে যাচ্ছে না।
মধ্যবিত্তের জন্য একটি পররাষ্ট্রনীতি:
দ্বিতীয়ত, আমার প্রশাসন মার্কিন জনগণকে ক্ষমতায়িত করবে। যার লক্ষ্য হবে বিশ্ব অর্থনীতিতে
যাতে তারা সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়। সেজন্য মধ্যবিত্তের জন্য একটি পররাষ্ট্রনীতি
দরকার। ভবিষ্যতে চীন কিংবা অন্য যে কারো ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে হলে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তার উদ্ভাবনী শক্তি ক্ষুরধার করতে হবে। বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক
রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এর লক্ষ্য হবে দুষ্ট অর্থনৈতিক
কার্যক্রম প্রতিহত করা এবং অসাম্য কমানো।
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তা। আমাদের বাণিজ্যনীতি দেশের অভ্যন্তরেই শুরু করতে
হবে এবং সেজন্য আমাদের বৃহত্তম সম্পদ মধ্যবিত্তকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এটাও নিশ্চিত
করতে হবে, প্রত্যেক নাগরিক যাতে দেশের সাফল্যের অংশীদার হতে পারে। আর সেক্ষেত্রে কোনো
ব্যক্তি বা সমপ্রদায় বা গোষ্ঠী, লিঙ্গ কিংবা শারীরিক প্রতিবন্ধিত্বের পরিচয় বিবেচ্য
বিষয় হবে না। আর এটা করতে হলে আমাদের দরকার হবে আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন। তাই তাতে
দরকার ব্যাপক বিনিয়োগ। এই অবকাঠামোগত খাতের মধ্যে থাকবে ব্রডব্যান্ড, মহাসড়ক, রেল,
এনার্জি, স্মার্ট সিটি। এবং শিক্ষায় দরকার পড়বে ব্যাপক বিনিয়োগের। আমাদেরকে অবশ্যই
প্রত্যেক ছাত্রকে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী চাকরির জন্য গড়তে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, প্রত্যেক মার্কিন নাগরিকের গুণগতমান
সমৃদ্ধ এবং ব্যয় বহন করতে সক্ষম একটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা তার হাতের মুঠোয়। প্রতি
ঘণ্টার ন্যূনতম মজুরি ১৫ ডলার নির্ধারণ করতে হবে। আর নেতৃত্ব দিতে
হবে একটি গ্রিন ইকোনমি রেভ্যুলেশনে। এই পরিচ্ছন্ন অর্থনৈতিক বিপ্লবের উদ্দেশ্য হবে
নতুন চাকরি সৃষ্টি করা। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় চাকরিও থাকবে।
আমি গবেষণা এবং উন্নয়নে বিনিয়োগ করবো। এটা হবে আমার প্রেসিডেন্সির মেয়াদে একটি মাইলফলক লক্ষ্য। যাতে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকতে পারে। কোনো কারণ নেই যে, আমরা ক্লিন এনার্জি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং,
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফাইভ-জি, বুলেট রেল কিংবা ক্যান্সারকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে
চীন কিংবা বিশ্বের অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকবো। আমাদের রয়েছে বিশ্বসেরা গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়।
আমাদের রয়েছে আইনের শাসনের শক্তিশালী ঐতিহ্য এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো- আমাদের
রয়েছে এমন এক অনন্যসাধারণ কর্মী এবং উদ্ভাবনী জনগোষ্ঠী, যারা কখনো আমাদের দেশকে পরাজিত
দেখতে চায়নি। মধ্যবিত্তের জন্য একটি পররাষ্ট্রনীতি আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে
নিয়মতান্ত্রিকতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। কারণ আন্তর্জাতিক অর্থনীতির বিধিমালায়
এই নিশ্চয়তা থাকা দরকার যে, সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কারচুপিপূর্ণ প্রতিযোগিতার
ফাঁদ তৈরি করা হবে না। যখন মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো অবাধ ও সুষ্ঠু বাণিজ্য
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, তখন তারা জয় লাভ করে। আমি সুষ্ঠু বাণিজ্যে বিশ্বাসী।
বিশ্ব জনসংখ্যার শতকরা ৯৫ শতাংশের বেশি মানুষ বাস করে আমাদের সীমান্তের বাইরে। সুতরাং
আমাদের লক্ষ্য হবে ওইসব মার্কেটগুলোতে আমাদের পণ্যের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। আমাদেরকে অবশ্যই এটা ধরে রাখতে হবে যে সব
থেকে ভালো পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তৈরি করার সক্ষমতা রাখে এবং বিশ্বময় সব থেকে শ্রেষ্ঠ
পণ্য তারাই বিক্রি করবে। এর অর্থ হচ্ছে বাণিজ্য বাধা অপসারণ করা। যে বাধাগুলো কিনা
মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকারান্তরে একটা শাস্তি এনে দেয়। তাই প্রতিহত করতে হবে
সংরক্ষণবাদী কলাকৌশল। এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রটেকশনাজিম একটা ভয়ঙ্কর বৈশ্বিক বিষয়। এক শতাব্দী আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের
পরপরই এর সূচনা আমরা দেখেছিলাম এবং
সেই সংরক্ষণবাদই গ্রেট ডিপ্রেশন বা মহামন্দার বিস্তার ঘটিয়ে ছিল। যার পরিণতিতে বিশ্ব
দেখেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সব থেকে ভুল হলো আমরা যদি আমাদের মাথা গুঁজে রাখি এবং বলি,
ঠকবো বলে আর কোনো বাণিজ্যিক চুক্তিতেই আমরা যাবো না। তাহলে অবশিষ্ট বিশ্ব কিন্তু মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে রেখে বা না রেখে তারা তাদের বাণিজ্য চালিয়ে যাবে। তাই প্রশ্ন
হলো বিশ্ববাণিজ্যকে শাসন করে এমন সব বিধি-বিধানকে সুষম ও সাম্যের ওপর দাঁড় করানো। বিধানাবলী
এমন হবে যে, সেটা নিশ্চিত করবে, কর্মীদের সুরক্ষা থাকবে। পরিবেশ, স্বচ্ছতা এবং মধ্যবিত্তের
মজুরিকে গ্যারান্টি দেবে। এই ধারার নেতৃত্ব দিতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি কোনো নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে যাবো না। যতক্ষণ না আমরা মার্কিনিদের
উপরেই বিনিয়োগ করতে সক্ষমতা অর্জন করি। এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে সাফল্য অর্জনের জন্য তাদেরকে
বিভিন্ন উপায়ে সক্ষম করতে না পারি এবং আমি এক টেবিলে শ্রমিক
এবং পরিবেশ বিষয়ক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ
ছাড়া কোনো নতুন সমঝোতায় যাবো না। আর সেটা হতে হবে একটা অর্থপূর্ণ উপায়ে এবং আমরা শুধু
চুক্তির জন্য চুক্তি করবো না। পক্ষসমূহ যারা চুক্তিতে সই করবেন, পরে তারা যাতে তা কার্যকর
করেন, সেজন্য চুক্তিতে শক্তিশালী বিধান রাখা হবে। (চলবে)
ফরেন পলিসি (মার্চ-এপ্রিল ২০২০ সংখ্যা) থেকে নেয়া