Apr 4, 2025

যেভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন

সম্পাদনা:জিয়াউদ্দীন চৌ:( জেড সেলিম)

আপনি কি খুব বেশি রেগে যান? রেগে গেলে ভাঙচুর করেন? কিম্বা হাতের কাছে যা পান ছুঁড়ে মারেন, গলা ফাটিয়ে চেঁচামেচি বা হুমকি দেন? এমন রাগ নাকি নিয়ন্ত্রণ করাই উচিৎ। কিন্তু কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব? মনোবিজ্ঞানীরা যদিও বলছেন রাগ একটি স্বাভাবিক আবেগ। কিন্তু এই রাগ ক্ষতির কারণ হয়েও দেখা দিতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে ব্যক্তিজীবন, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে। এমনকি স্বাস্থ্যের ওপরও রাগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এখন তুলে ধরব এমনই কিছু কার্যকরী উপায়, যার মাধ্যমে পুরোপুরি যদি না-ও হয়, কিছুটা হলেও রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যেতেই পারে। আর সেই "কিছুটা" রাগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও, নিজের জীবনকে বড় কোনো ট্র্যাজেডি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

Image Source :WikiHow

১।রাগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নিঃশ্বাসের চেয়ে বড় কোনো ওষুধ আর হতেই পারে না। তাই খুব যখন রাগ হবে, গভীর নিঃশ্বাসের অনুশীলন করুন। একটি চেয়ারে টান টান হয়ে বসুন। তারপর নাক দিয়ে গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকুন। ১ থেকে ৬ পর্যন্ত গুনুন, এবং সেই পুরো সময়টা প্রাণ ভরে অক্সিজেন নিয়ে নিন নিজের ভেতরে। এবং শ্বাস ছাড়ার সময়ও কাজটি করুন খুবই ধীরে ধীরে। সম্ভব হলে ৮ বা ৯ পর্যন্ত গুনুন। এভাবে থেমে থেমে ১০ বার কাজটি করুন। এবং এ কাজটি করার সময় সুখকর কিছু চিন্তা করুন, যেটির সাথে আপনার বর্তমান রাগ বা সমস্যার কোনো সম্পর্কই নেই।

২।রেগে যাওয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো, যে মানুষটি রেগে গেছে সে প্রথম কিছুক্ষণ বিষয়টি বুঝতেই পারে না। ওই যে একটু আগে বলেছি না, হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, ঠিক তেমনটিই হয়। তাই সে তখন রাগের মাথায় যা খুশি করতে বা বলতে থাকে, এবং সেটিকেই স্বাভাবিক বলে মনে করে। কিন্তু আপনি যদি রাগান্বিত অবস্থায় নিজেকে এ সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারেন যে, হ্যাঁ, আপনি আসলেই রেগে গেছেন, তাহলে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত হয়ে আসবে। কারণ তখন আপনি এটাও অনুধাবন করতে পারবেন যে, আপনি যা করছেন তা স্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতিতে আপনি করতেন না।

৩।কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষই লম্বা সময় ধরে রেগে থাকতে পারে না। শুরুর কিছু মুহূর্ত, হতে পারে তা পাঁচ, দশ, পনেরো মিনিট বা আধা ঘণ্টা; এটুকু সময়ের মাঝেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সে এমন অনেক কিছু করে বসে, যে কারণে তাকে পরে মাথা চাপড়াতে হয়। হয়তো ওই সময় সে নিজেকে বা সামনের অন্য কাউকে আঘাত করে ফেলে, কোনো মূল্যবান জিনিসের ক্ষতিসাধন করে ফেলে, কিংবা এমন কিছু একটা বলে বসে যা কখনোই তার বলা উচিৎ নয়। এ কাজগুলোর ফলাফল সুদূরপ্রসারী হতে পারে। তাই আপনি যদি অবগত হন যে আপনার রাগ অনেক বেশি এবং তাৎক্ষণিকভাবে আপনি ভয়ঙ্কর কিছু করে বসতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনার আগে থেকেই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। বারবার নিজের মনকে বোঝাতে হবে যেন এ ধরনের কিছু আপনি করে না বসেন। এবং আপনার কাছের মানুষদেরও উচিৎ হবে ওই সময় আপনাকে আরো রাগিয়ে না দেয়া, বরং এমন কিছু একটা করা যাতে আপনার রাগ প্রশমিত হয়।

৪।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষ আবেগতাড়িত হয়ে, ঝোঁকের মাথায় রেগে যায়। তখন সে কোনো বিষয়ে পূর্বাপর চিন্তা করে না। নিজের মস্তিষ্ককে নয়, মনকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যাটি হলো, মানুষের মন এতটাই সংবেদনশীল যে যেকোনো সময়ে সে তার দিক পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মনের কথা শোনার চেয়েও বেশি জরুরি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করা। একটি কথা মাথায় রাখতে হবে যে, হুট করে রেগে গিয়ে, উত্তেজিত হয়ে বা মাথা গরম করে কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়, বরং তাতে পূর্বের সমস্যার সাথে নতুন করে আরো অনেক সমস্যা যুক্ত হয়। তাই এমন কিছু না করে, ঠাণ্ডা মাথায় আপনাকে চিন্তা করতে হবে, আপনি যে কারণে রেগে যাচ্ছেন, তা আসলেই যুক্তিযুক্ত কি না। হতে পারে আপনি মিছেই এমন কারো উপর রেগে যাচ্ছেন, যার আদতে কোনো দোষই ছিল না। আবার এমনও হতে পারে যে গোটা ব্যাপারটার দায়ই আসলে সময়, পরিস্থিতি ও বাস্তবতার, যেখানে অন্য কারোই কিছু করার নেই। এই বিষয়গুলো ভেবে নিজে একবার নিজের মনকে প্রবোধ দিতে পারলে, রাগ অনায়াসে কমিয়ে আনা সম্ভব।

Image Source :Wiki How

৫।হতে পারে আপনি দীর্ঘ সময় কোনো বদ্ধ ঘরে বসে আছেন, যেখানে আবহাওয়া খুবই গুমোট, তাপমাত্রা অনেক বেশি এবং বাতাস চলাচল নেই বললেই চলে। এমন পরিবেশে থাকার কারণেও খুব সহজেই আপনি রেগে যেতে পারেন, এমনকি আপনার প্যানিক অ্যাটাক হওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। এরকমই যদি কিছু হয়ে থাকে, তাহলে রেগে গিয়ে অন্য কারো দিকে আঙুল তোলা বা নিজের ক্ষতি করার আগে, একবার চেষ্টা করুন নিজের পরিবেশের পরিবর্তন ঘটানোর। ঘর থেকে বাইরে বের হোন, তাজা বাতাসে নিঃশ্বাস নিন, হাঁটাচলা করুন। খুব সামান্য সময়ের জন্যও যদি আপনি মুক্ত আকাশের নিচে গিয়ে দাঁড়ান, গায়ে বাতাসের গন্ধ মাখেন, অন্য সবকিছু ভুলে গিয়ে প্রকৃতির রূপসুধা উপভোগ করেন, সেটিও কিন্তু জাদুর মতো কাজ করতে পারে। আপনি খুব বেশি রোমান্টিক কিংবা প্রকৃতিপ্রেমী না হওয়া সত্ত্বেও, আপনার কাছে মনে হতেই পারে যে, বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে বাদ দিলেও, জীবনে বেঁচে থাকার অনেক কারণই রয়েছে।

৬।বাইরে কোথাও যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না? অফিসে বা ক্লাসরুমে ডেস্কের সামনে বসেই নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে? বিষয়টি খুবই কঠিন। কারণ এমন বদ্ধ পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা মাথায় কিছু চিন্তা করা বা নিজের মনোযোগ অন্য দিকে ঘোরানো সহজ ব্যাপার নয়। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে পেছন থেকে সংখ্যা গণনার কৌশলটি। খুব যখন রেগে যাবেন, তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে ১০০ থেকে ১ পর্যন্ত উল্টোভাবে গুনুন। ভাবছেন এটি খুবই ছেলেমানুষি কোনো ব্যাপার? মোটেই না। উল্টোভাবে সংখ্যা গণনা করতে গিয়ে আপনার মস্তিষ্ককে সে কাজে কিছুটা হলেও মনোযোগ ব্যয় করতে হবে, ফলে কিছু সময়ের জন্য আপনি আপনার রাগের বিষয়টিকে ভুলে যেতে পারবেন। আর এভাবেই মনোযোগ অন্য কোনোদিকে স্থানান্তর করার মাধ্যমে রাগ কমিয়ে আনা সম্ভব।

Image Source Wiki-how

৭।হ্যাঁ, গান শোনাও হতে পারে খুবই ভালো একটি উপায়। পছন্দের কোনো সুর বা বাজনাও যথেষ্ট হতে পারে মানুষের মন ভালো করে দিতে। আর তাই যখনই উদ্বেগ অনুভব করবেন, উত্তেজিত হয়ে যাবেন, তাড়াতাড়ি ইয়ারফোনটা কানে দিয়ে, কিংবা যদি নিজের ঘরে থাকেন তো লাউড স্পিকারেও, পছন্দের গানটি শুনতে পারেন। তবে পছন্দের গানটি অবশ্যই মন ভালো করা কিছু হতে হবে। এমন কোনো গান নির্বাচন করা উচিৎ হবে না, যা বিষণ্নতা আরো বাড়িয়ে দেয়, দুঃখবোধকে উসকে দেয়। যদি পছন্দের কোনো গান না থাকে, তাহলে অনলাইনে খোঁজ করে বিভিন্ন রিল্যাক্সিং মিউজিক শুনতে পারেন। বিশেষত ক্লাসিক্যাল ও জ্যাজ মিউজিক শ্রোতার মনকে হালকা করতে বিশেষ সহায়ক। হয়তো আপনার ক্ষেত্রেও এটি কাজ করবে। একবার চেষ্টা করে দেখতেই পারেন।

৮।যখন প্রচণ্ড রাগ হয়, তখন মনের ভেতর একগাদা চিন্তা এসে জড়ো হয়। চিৎকার করে সেগুলো বলতে ইচ্ছা করে। সামনে থাকা মানুষটিকেও ইচ্ছা মতো সেগুলো শুনিয়ে দেয়ার বাসনা জাগে মনে। কিংবা অনেকে তো আজকাল মেসেঞ্জারেও ইয়া বড় বড় মেসেজ পাঠায় কাছের মানুষদেরকে। কিন্তু এই কথা বা মেসেজগুলো পরবর্তীতে বুমেরাং হয়ে আপনাকেই আক্রমণ করতে পারে।

৯।মানুষের একটি চিরন্তন স্বভাব হলো, যখন সে কোনো কারণে উত্তেজিত বা রাগান্বিত হয়, তখন সে তার দুরবস্থাকে 'জাস্টিফাই" করার লক্ষ্যে কেবল নিজের সাথে হওয়া খারাপ বিষয়গুলোই চিন্তা করতে থাকে। এভাবে নিজের রাগকে ন্যায্যতা প্রদান করা যায় বটে, কিন্তু তাতে করে রাগ কিন্তু এতটুকুও কমে না, বরং আরো বেড়ে যায়। এবং আরো বড় সমস্যা হলো, রাগের মাথায় সে যখন কাউকে কথা শুনাতে থাকে, তখনো কেবল ওই ব্যক্তির খারাপগুলো নিয়েই কথা বলতে থাকে। ওই ব্যক্তির যে অজস্র ভালো দিক রয়েছে, সেগুলো সে এড়িয়ে যায়। এভাবে একটি সম্পর্ক ভাঙনের দিকে এগিয়ে যায়। তাই রাগের মাথায় নেতিবাচক চিন্তা করা বাদ দিয়ে, বেশি বেশি ইতিবাচক বিষয় নিয়ে ভাবুন।

Image Source Wiki-how

১০।ছোটবেলা থেকেই তো গণিত বইয়ে কত রকমের জটিল জটিল সব সমস্যা দেখেছেন, তাই না? কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সেগুলো কোনোটিই কিন্তু আর সমস্যা থাকেনি, যখন আপনি সেগুলো সমাধানের পদ্ধতি শিখে ফেলেছেন। ঠিক তেমনই, জীবনের যেকোনো দুর্যোগকে অঙ্ক বইয়ের সমস্যা হিসেবে ভাবতে শুরু করুন। প্রথম দর্শনে সেগুলো যত কঠিনই মনে হোক, দিন শেষে অবশ্যই তা সমাধানযোগ্য। যত তাড়াতাড়ি আপনি সমাধানের চেষ্টা শুরু করবেন, ফলও তত তাড়াতাড়িই পাবেন। কিন্তু আপনি যদি সমাধানের চেষ্টা না করে কেবল রাগ করেই বসে থাকেন, এবং অতি-চিন্তা করতে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপাত সহজ একটি সমস্যার সমাধানও অসাধ্য হয়ে উঠতে পারে।

১১। হঠাৎ করে রাগের মাথায় কোনো কথা বা কাজ করে বসবেন না, সময় নিন, প্রয়োজন হলে সেই মানুষটার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বন্ধ রাখুন অথবা রাগের কারণটি থেকে নিজের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন।

Image Source Wiki-how

১২। আপনি যখন শান্ত হয়ে যাবেন, আপনার রাগের কারণগুলো তার সামনে তুলে ধরুন, ততক্ষণে অপরজনের মাথাও ঠান্ডা হয়ে যাবে, তিনিও ভালোভাবে আপনার কথা বুঝতে পারবেন।

১৩। নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে পারেন। এতেও রাগের প্রবণতা কমে। ক্ষণিকের রাগ কমাতে কিছুটা পথ হাঁটতে পারেন।

১৪। আপনি যখন রেগে আছেন স্বাভাবিকভাবেই আপনার মধ্যে নমনীয়তা কাজ করবে না, আর তাই হঠাৎ করে এমন কিছু কথা বলে ফেলতে পারেন যা অন্যের কষ্টের কারণ হতে পারে, তাই রেগে থাকার সময়ে কোনো কথা না বলাই ভালো।

১৫। রাগ কমাতে অনেকে ধূমপান করেন। অন্য নেশাও করেন। কিন্তু  রাগ কামনোর ভালো পথ নয়। তাতে মনটা আরো বিক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

১৬। রাগ বা টেনশন কমানোর জন্য খানিকটা হাসি ঠাট্টা করা যেতে পারে, তাতে মনটা হালকা হয়ে যায়।


RELATED NEWS
উদ্বোধন হলো “আনজারা” ওমেন ব্রাইডল ফ্যাশন হাউজ
বনানী ১১নং রোডে "আনজারা" ব্রাইডাল ফ্যাশন হাউজের উদ্বোধন
‘থার্টি ওয়ান ফার্স্ট নাইট’
ফিরে দেখা ২০২০: ভবিষ্যৎে যেভাবে মনে রাখবে অতিমারীর প্রবল দাপটের অজানা’ এক ভাইরাস এসেছিল
সেন্ট নিকোলাস” থেকে “স্যান্টা ক্লজ”
করোনায় পশ্চীমের ক্রিসমাস
রহস্যে ঘেরা এই বাড়িটি কার?
আমেরিকার ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’
দিনে ৫ ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার আনতে পারে মানসিক অবসাদ
বাড়ছে অস্ত্রধারী কিশোরদের গ্যাং কালচার: কিশোর গ্যাং
সৌদি আরবে হোটেলের এক রুমে অবিবাহিত নারী-পুরুষ থাকতে পারবেন
যে কারনে ১০০ বছর আগেও চুম্বনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়
করোনাভাইরাস মহামারীতে ইউরোপে সাইকেল বিপ্লব
মায়ের জিনের ওপর নির্ভর করে শিশুর বুদ্ধিমত্তা
সাক্কারা মরুভূমিতে পাওয়া গেল ডজন ডজন মমি
ড্রাগস ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ
'কনডেম সেল' কেমন হয়? সেখানে কিভাবে থাকেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা? অন্যান্য সেলের সাথে এর পার্থক্য কী?
কফি পানে মনব শরীরে শতকরা ৫০ ভাগ চিনি বাড়ায়
শিশুর মানসিক বিকাশ
আপনার সন্তান কি অনলাইন ক্লাস করছে? তা হলে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম
ভার্চুয়াল পৃথিবীতে সন্তান কী করছে, তার খোঁজখবর রাখছেন তো?
প্রেম:জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে একতরফা প্রেমের যন্ত্রণা ভুলে যান
বেশি সময় বসে বাড়িতে কাজ করতে বোর লাগছে? তাহলে টাইম ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে জেনে নিন
পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে সন্তানকে সাহায্য করতে হবে আপনাকেই